• Home
  • প্রশাসন
    • প্রতিষ্ঠান সর্ম্পকে
    • শিক্ষকবৃন্দ
    • কর্মকর্তা-কর্মচারী
    • ম্যানেজিং কমিটি
  • ভর্তি তথ্য
    • ভর্তির নীতিমালা
    • ভর্তি ফরম
  • নোটিশ
  • ফলাফল
  • রুটিন
  • সংবাদ
  • গ্যালারী
    • ফটো গ্যালারী
    • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রতিষ্ঠান সর্ম্পকে
Logo
সাতবাড়ীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
  • প্রশাসন
    • প্রতিষ্ঠান সর্ম্পকে
    • শিক্ষকবৃন্দ
    • কর্মকর্তা-কর্মচারী
    • ম্যানেজিং কমিটি
  • ভর্তি তথ্য
    • ভর্তির নীতিমালা
    • ভর্তি ফরম
  • নোটিশ
  • ফলাফল
  • রুটিন
  • সংবাদ
  • গ্যালারী
    • ফটো গ্যালারী
    • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রতিষ্ঠান সর্ম্পকে

প্রতিষ্ঠান সর্ম্পকে

দক্ষিণ চট্টগ্রামের তৎকালীন পটিয়ায় সর্বাপেক্ষা প্রাচীণ বিদ্যাপিঠ  হলো ১৮৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এরপর ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়। তৎপূর্বে এ এলাকায় অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলো না। ছোট ছোট পাঠশালা ও মক্তবভিত্তিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কিছু কিছু শিক্ষা দেওয়া হতো, আর আর্থিকভাবে স্বচ্ছল পরিবারের সন্তানেরা চট্টগ্রাম শহরে গিয়ে পড়ালেখা করত। পটিয়া থানার দক্ষিণাংশে বর্তমান চন্দনাইশ থানায় ১৯১৮ সালে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়- গাছবাড়ীয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়-বরমা ত্রাহি মেনকা উচ্চ বিদ্যালয়। এর পূর্বে সাতবাড়ীয়ায় কোনো জুনিয়র বা মাধ্যমিক স্কুল ছিল না।এলাকার অখিকাংশ শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি শেষ করে (ছাত্ররা) পার্শ্ববর্তী গাছবাড়ীয়া, বরমা ও আশেপাশের স্কলে উচ্চতর শ্রেণিতে ভর্তি হতো। তখন বরমা স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু ছিল। ছাত্রদের পড়ালেখার ‍সুযোগ থাকলেও দূরত্বের কারণে এলাকার ছাত্রীদের পক্ষে পড়াশুনা সম্ভব ছিলো না। বিষয়টি অনুভব করতে পেরে তৎকালীন জমিদার শ্রী নাজির কৃষ্ণ চন্দ্র চৌধুরী এলাকার মহিলাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৮০০ সালের শেষের দিকে বা ১৯০০ সালের প্রথম দিকে কোনো এক সময় তাঁর বাড়ির সামনে পুকুর পাড়ের উত্তর পশ্চিমাংশে একটি প্রাথমিক পর্যায়ে বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এর নামকরণ কর হয়-‘‘সাতবাড়ীয়া বালিকা বিদ্যালয়’’ যা এলাকায় নাজির স্কুল নামে খ্যাত ছিল। শ্রী নাজির কৃষ্ঞ চন্দ্র চৌধুরী ১৮৪৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৯১০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তবে, নাজির কৃষ্ণ চৌধুরী সাতবাড়ীয়া বালিকা বিদ্যালয়, বরমা,পাহাড়তলী (রাউজান), সীতাকুণ্ড, হাড়বাং,বান্দরবান ও মহেশখালীতে স্কুল স্থাপন কল্পে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন আনয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। ১৯১০ সালে তার মৃত্যুর পর সাতবাড়ীয়া বালিকা বিদ্যালয়টি কিছু সময় চলমান থাকলেও আনুমানিক ৬০( ষাট) এর দশকের কোনো এক সময় ঘূর্ণিঝড় কিংবা বন্যায় বিদ্যালয়টি প্রাকৃতিক দুযোর্গের কারণে বিলিন হয়ে গেলে শ্রী নাজির কৃষ্ণ চন্দ্র চৌধুরীর পরবর্তী ওয়ারিশগণের মধ্যে ঝগড়া- বিবাদ,দাঙ্গাহাঙ্গামা ও দলাদলির কারণে এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের মধ্যে ঐক্য না থাকায় ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়টি সংস্কার ও মেরামত করে পুনরায় চালু করা হয়নি।বালিকা বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু না হওয়ায় উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাতবাড়ীয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। উল্লেখ্য যে, আর.এস ১৫৫০ নং দাগের পূর্ব পাশে ১৫৫১ নং দাগ অবস্থিত, উক্ত দাগে একটি পুকুর আছে, যেটি সেবা পুকুর নামে খ্যাত। পুকুরটি এক সময় নাজির পরিবারের মালিকানাধীন ছিল, পুকুরের উত্তর-পশ্চিম পাড়ে- রবিবার ও বৃহস্পতিবার বিকালে হাট বসত যা বর্তমানেও চলমান। নাজির পরিবারের পুকুরের পাড়ে হাট বসতো বিধায় সেটি নাজির হাট নামে পরিচিতি পায়।

ইতোমধ্যে ১৯৩০ সালে সদ্য বি.এ পাস করা জনাব আবদুল জব্বার চৌধুরী ও ভূবন মোহন চৌধুরীর নেতৃত্বে -ছিদ্দিক মোক্তিয়ার, ডা. শান্তিময় চৌধুরী, মনি চৌধুরী, জাফরাবাদের অলি মিয়া মেম্বার, সৈয়দ আহমদ মাষ্টার, নগর পাড়ার মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীসহ সাতবাড়ীয়ার কিছু শিক্ষানুরাগী ও শিক্ষা সচেতন ব্যক্তি নিয়ে অনগ্রসর এই এলাকার জনসাধারণকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার নিমিত্তে সাতবাড়ীয়ায় একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে,সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করে দিনের পর দিন মিটিং,  সলাপরামর্শ, মতবিনিময় করে স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তারই সূত্র ধরে জায়গা প্রাপ্তির জন্য বরমার তৎকালীন জমিদার রজণীকান্তের কাছে স্কুল প্রতিষ্ঠার জায়গার জন্য সাহায্যের প্রস্তাব করলে তিনি মৌখিকভাবে সাতবাড়ীয়া মডেল স্কুলকে ৭৯ শতক জায়গা দান করেন।জায়গা প্রাপ্তির পর এলাকার সর্বস্তরের জনগণের সাহায্যে সহযোগিতা নিয়ে মাটি দিয়ে নির্মাণ করা হয় সাতবাড়ীয়া মডেল স্কুল। মাটির  তৈরী স্কুলঘরটিকে অধিকাংশ অর্থ ব্যয় করেন ভূবন মোহন চৌধুরী। যেখানে প্রাথমিকভাবে ছোট পাঠশালার মধ্য দিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রম চালু করা হয়। রজনীকান্ত কর্তৃক দানকৃত জায়গাটি স্কুল প্রতিষ্ঠানের নামে জরিপ হতে ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো আপত্তি না থাকায় আর.এস জরিপের সময় সাতবাড়ীয়া মডেল স্কুলের নামে ২২৯নং খতিয়ান মূলে ১৫৫০নং দাগটি চূড়ান্ত রেকর্ডভূক্ত হয়ে প্রচারিত হয়। কিন্তু সাতবাড়ীয়া মডেল স্কুল কর্তৃপক্ষ অসাবধানতাবসত সন সন খাজনা পরিশোধ না করায় ১৯৩৯-৪০ সনের কোনো একসময় উক্ত জায়গা নিলামে উঠে। নিলামকৃত জায়গাটি সাতবাড়ীয়ার ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান জনাব আবদুল্লাহ মিয়া চৌধুরী, পিতাঃ- গোলাম কাদের, সাং- সাতবাড়ীয়া, পটিয়া,বর্তমান চন্দনাইশ,চট্টগ্রাম নিলাম খরিদ করেন।নিলাম খরিদের পর সংবাদটি এলাকায় প্রকাশিত হলে বিদ্যালয়টির নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়।এক পর্যায়ে স্কুলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে,এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী পুনরায়- ১৯৪৫ সালের শেষের দিকে এলাকার কিছু সচেতন মহলকে নিয়ে স্কুল রক্ষার একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ ব্যাপারে জনাব এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী নিলাম খরিদ গ্রহীতা জনাব আবদুল্লাহ মিয়া চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে স্কুলের নামে নিলামকৃত ৭৯ শতক জায়গা কোমলমতি শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে এলাকার স্বার্থে দান করার অনুরোধ করেন। এ ব্যাপারে জনাব এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী নিলাম খরিদ গ্রহীতা জনাব আবদুল্লাহ্ মিয়া চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করে স্কুলের নামে নিলামকৃত ৭৯ শতক জায়গা কোমলমতি শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে এলাকার স্বার্থে দান করার অনুরোধ করেন। জনাব এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী বিদ্যালয়ের জায়গা আদায়ের জন্য প্রতি শনিবার বিকেলে তার কর্মস্থল কোর্টের কাজ শেষ করে জনাব আবদুল্লাহ্ মিয়া চৌধুরীর বাড়িতে যেত এবং রবিবার বন্ধের দিন এলাকার জনসাধারণের সাথে এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা করে সোমবার সকালে কোর্টে যাওয়ার পথে পুনরায় জনাব আবদুল্লাহ্ মিয় চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন বিপর্যয়ের কথা তাকে বুঝানোর চেষ্টা করতেন। প্রতি শনি ও সোমবারে বারবার আসা যাওয়ার কারণে এলাকায় কিছু মানুষ এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী নামে আবদুল্লাহ্ মিয়া চৌধুরীর মেয়ে বিয়ে করছে বলে এলাকায় বদনাম রটিয়ে দেয়। এর উত্তরে তিনি বলতেন আমি স্কুল বিয়ে করছি, এলাকার মানুষকে শিক্ষিতগড়ে তোলার জন্য। এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরীর বারবার আকুতি মিনতির পর নিলাম খরিদ গ্রহীতা জনাব আবদুল্লাহ্ মিয়া চৌধুরী তাঁর সুযোগ্য পুত্র জনাব সোলাইমান শাওয়াল চৌধুরীকে সাক্ষী রেখে নিলামকৃত আর এস ২২৯ নং খতিয়ানের ১৫৫০ নং দাগের ৭৯ শতক জায়গা স্কুলের নামে মৌখিক অছিয়ত করে দেন।

জনাব এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী এবং জনাব আবদুল্লাহ্ মিয়া চৌধুরীর নেতৃত্বে এলাকার মান্যগন্য ব্যক্তি ডা. শান্তিময় চৌধুরী, নুর আহমদ চৌধুরী, আছাদ উল্লাহ্ মিয়া, ফজলুল হক মিয়া, ছৈয়দ আহমদ মাষ্টার, আলতাফ মাষ্টার, কামাল উদ্দীন মাষ্টার, সিদ্দিক আহমদ মেম্বার, আহমদ উল্লাহ্, সুদত্ত চৌধুরী প্রকাশঃ বেবী চৌধুরীসহ আরো অনেককে সাথে নিয়ে ১৯৪৫ সালের শেষে ১৯৪৬ সালে সাতবাড়ীয়া মডেল স্কুলেটির নাম পরিবর্তন করে মাধ্যমিক পর্যন্ত “সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়” নামকরণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তৎসময়ের সকলের মুরুব্বি জনাব মোস্তফিজুর রহমান চৌধুরীকে প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি করে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। উল্লেখ্য সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি কারো একক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি একটি সম্মিলিত প্রয়াস। 

 এখানে কেউ নেতৃত্ব দিয়ে, ভূমি দিয়ে, শ্রম দিয়ে, নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে, বিনা বেতনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে এবং বুদ্ধি ও পরামর্শ দিয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিলামকৃত জায়গাটি মোখিকভাবে অছিয়তনামা করে গেলেও কাগজে কলমে তা লিখিত হয়নি। ইতিমধ্যে পরে ১৯৪৬ সালের শেষের দিকে আব্দুল্লাহ মিয়া মৃত্যুবরণ করলে জায়গার বিষয়টি কাগজে কলমে অমীমাংসীত থেকে যায়। তবে, তাঁর সুযোগ্য সন্তান সোলাইমান শাওয়াল চৌধুরী বি.এস জরিপের সময় তাঁহার পিতার অছিয়তনামার ৭৯ শতক জায়গা বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড করার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করেন। ১৯৪৭ সালের প্রথম দিকে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি মোস্তফিজুর রহমান চৌধুরী অসুস্থ হয়ে দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করলে সর্বসম্মতিক্রমে এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরীর উপর সেক্রেটারির দায়িত্ব তুলে দেন। এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী এবং তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জনাব আবদুল হাই সাহেবের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৫১ সালে ঢাকা বোর্ডের অধীনে প্রথমম্যাট্রোকুলেশন পরীক্ষা অনুমোদন লাভ করেন। ১৯৫৮ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরী সেক্রেটারি থাকাকালীন মৃত্যুবরণ করলে ডা. শান্তিময় চৌধুরী ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করে যান। বিদ্যালয়টি সুনামের সাথে নিয়মিত পাঠদান করে যাচ্ছিল। প্রতিবছর এ বিদ্যালয় থেকে জ্ঞানী-গুনী মেধাবী শিক্ষার্থী মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে দেশ ও জাতির সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শর্তারোপ করেন যে, বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে কমপক্ষে ১২০ শতক জায়গা লাগবে। এডভোকেট আবদুল জব্বার চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল হক, এডভোকেট সিরাজুল হক ফারুকী এবং জনাব সোলাইমান শাওয়াল চৌধুরীসহ তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবর্গ উদ্যোগ নেন বিদ্যালয়টিকে বহুমুখী করার। স্বীকৃতি প্রাপ্তির জন্য তারই ধারাবাহিকতায় ২৭/০৭/১৯৮৯ তারিখে ১১৪৯৪ নং দানপত্র মূলে ২১শতক জায়গা এবং একই তারিখে-১১৫০৪ নং দানপত্র মূলে ২১শতক জায়গা দুই সহোদর মিলে ৪২ শতক জায়গা সাতবাড়ীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় নামে প্রথমেই রেজিস্ট্রি করে দেন এবং দুজনেই বিদ্যালয়ের স্থায়ী দাতা সদস্য হন, এডভোকেট সিরাজুল হক ফারুকী সভাপতির দায়িত্ব পালনকালেই স্কুল এপিওভুক্ত হয়। পক্ষান্তরে নিলামকৃত জায়গার মালিক অছিয়তনামা ও মৌখিক দানকৃত ঘোষণার সাক্ষী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রাপ্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সোলায়মান শাওয়াল চৌধুরী ৩০/০৬/১৯৮০ইং তারিখে দানপত্র ২৮১৬ নং কবলা মূলে ৭৯ শতক জায়গা সাতবাড়ীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়ে কাগজে কলমে একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা ক্যাটাগরিতে নাম লিপিবদ্ধ করেন। ইঞ্জিনিয়ার চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল হক এবং এডভোকেট সিরাজুল হক ফারুকীর মৃত্যুর পর ২৭-০৭-১৯৭৯ তারিখের ১১৪৯৪ এবং ১১৫০৪ নং দানপত্রের শর্তানুসারে তাঁদের সুযোগ্য সন্তান যথাক্রমে জনাব ডা. মনজুরুল হক ফারুকী এবং মাঈনুল হক ফারুকী দুই জনে বিদ্যালয়ের স্থায়ী দাতা হিসেবে মনোনিত হয়।

প্রধান শিক্ষক

জনাব রতন কান্তি বড়ুয়া

প্রধান শিক্ষক

বিস্তারিত

ই-সেবা

  • জেএসসি/এসএসসি ফলাফল
  • জন্ম নিবন্ধন তথ্য যাচাই
  • কোভিড-১৯ টিকা রেজিস্ট্রেশন করুন এখান থেকে

অফিসিয়াল লিংক

  • মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ
  • মাদ্রাসা অধিদপ্তর
  • মাদ্রাসা ও কারিগারি বিভাগ
  • মাধ্যমিক ও উচচ শিক্ষা অধিদপ্তর
  • মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ

গুরত্বপূর্ণ তথ্য

  • মাল্টি মিডিয়া ক্লাস
  • শিক্ষক বাতায়ন
  • জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • করোনার তথ্য

জরুরী হটলাইন

Like Our Facebook Page

সাতবাড়ীয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

 ডাকঘরঃ সাতবাড়ীয়া,চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।

Developed By

SATBARIA ML HIGH SCHOOL